• সিলেট, রাত ২:০৯, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্য বোর্ডের

admin
প্রকাশিত জুলাই ১৮, ২০২৬
১১৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্য বোর্ডের

Manual2 Ad Code

১১৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্য বোর্ডের

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাতের সম্প্রসারণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ১১৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ চা বোর্ড। এই লক্ষ্য অর্জনে চা চাষের উপযোগী অব্যবহৃত জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং ক্ষুদ্র চা চাষিদের সম্পৃক্ততাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

চা বোর্ডের তথ্যমতে, শুধু সাধারণ চা নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গ্রিন টি, উলং টি এবং হোয়াইট টি-এর মতো ভ্যালু-অ্যাডেড চা উৎপাদনে মনোযোগ বাড়াতে হবে। এজন্য জলবায়ু ও খরাসহনশীল জাতের চারা রোপণ এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

দেশে মোট ১৭২টি চা বাগান রয়েছে, যেখানে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪১ একর জমিতে চা চাষ হচ্ছে। আরও প্রায় ১৬ হাজার ১৩০ একর উপযোগী জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

Manual4 Ad Code

 

উৎপাদনের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি (সর্বোচ্চ উৎপাদন)। ২০২৪ সালে ৯৩.০৪ মিলিয়ন কেজি। ২০২৫ সালে ৯৪.৯৩ মিলিয়ন কেজি।

 

 

Manual2 Ad Code

চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে ১০৪ মিলিয়ন কেজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে ২০৩০ সালের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

 

চায়ের গুণগত মান ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিটিআরআই নিয়মিত বাগান ব্যবস্থাপক ও শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

 

এছাড়া পরিবেশবান্ধব বালাইনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি ও গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বাগান মালিকদের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৃষিঋণ ও ভর্তুকি মূল্যে সার সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

 

বিপণন প্রক্রিয়া সহজ করতে অনলাইন লাইসেন্সিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বর্তমানে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য চায়ের ন্যূনতম নিলাম মূল্য কেজিপ্রতি ২৪৫ টাকা এবং উত্তরাঞ্চলের বটলিফ কারখানার জন্য ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

চা রপ্তানি ও চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে চা রপ্তানিতে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে। তবে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ব্যাপক হওয়ায় উৎপাদিত চায়ের ৯৫ শতাংশের বেশি দেশেই ব্যবহৃত হয়। তাই রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য চায়ের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে চা বোর্ড। সীমিত পরিসরে কেবল ব্লেন্ডিংয়ের প্রয়োজনে ভ্যালু-অ্যাডেড চা আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় ১৮০ বছরের ঐতিহ্যের এই শিল্পে প্রায় দেড় লাখ চা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জীবিকা জড়িত।

 

 

সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগে চা শিল্পের এই সোনালী দিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

 

Manual3 Ad Code

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Manual3 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com